ঢাকায় নতুন আরও চার থানা চালুর পরিকল্পনা পুলিশের

সময় ট্রিবিউন | ৯ মে ২০২৬, ০৩:৩৮

ছবি - সংগৃহীত

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে ঢাকায় আরও চারটি নতুন থানা ও কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর খিলক্ষেতের ৩০০ ফুট এলাকায় ‘পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি–১’-এ নতুন খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাঁড়িটির উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও চারটি নতুন থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে কারওয়ান বাজারে একটি পুলিশ ক্যাম্প চালু করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা। খিলক্ষেতে নতুন ফাঁড়ি উদ্বোধনের পাশাপাশি আরও কয়েকটি এলাকায় ফাঁড়ি স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, রায়েরবাজারে একটি নতুন থানার প্রস্তাব বর্তমানে মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর, আদাবর ও হাজারীবাগের কিছু অংশ নিয়ে আরও একটি নতুন থানা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভাটারা, বাড্ডা ও খিলক্ষেত এলাকার অংশ নিয়ে ‘বসুন্ধরা’ নামে আরেকটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে খিলগাঁও এলাকায় নতুন থানার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পূর্বাচলে পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হলে সেখানে চারটি থানা ও ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মো. সরওয়ার আরও বলেন, মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় আবাসন সুবিধা পাওয়া গেলে সেখানে দ্রুত আরেকটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বাড্ডা থেকে বেরাইদ এলাকা দূরে হওয়ায় সেখানে একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গেন্ডারিয়া বা ওয়ারী এলাকার ঘুন্টিঘরেও নতুন ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনুমোদিত যেসব পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে, সেগুলো পুনর্বিন্যাস করে জনবহুল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি সেই উদ্যোগেরই অংশ।

তিনি বলেন, গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে পুলিশের সক্ষমতা ও কল্যাণে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সে সময় পুলিশ হয়তো বিশেষ উদ্দেশ্যে কাজ করেছে। তবে বর্তমানে পুলিশ জনগণের সেবার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং দলমত নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।

ডিএমপির সদস্যদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নতুন ব্যারাক, পুলিশ লাইন্স ও প্রশিক্ষণ অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, পূর্বাচল নতুন শহরকে কেন্দ্র করে দ্রুত আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে ৩০০ ফুট এক্সপ্রেসওয়ে ঘিরে জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ বাড়ায় খিলক্ষেত থানার আওতাধীন বরুয়া, ডুমনি, পাতিরা, তলনাসহ আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, এসব এলাকা মূল থানা থেকে দূরে হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সার্বক্ষণিক পুলিশি উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।

পুলিশ প্রধান আরও বলেন, নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় আরও দ্রুত ও কার্যকর পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রো-অ্যাকটিভ পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, রায়েরবাজারে নতুন থানার প্রস্তাব বর্তমানে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর, আদাবর ও হাজারীবাগের কিছু অংশ নিয়ে আরেকটি নতুন থানা করার চেষ্টা চলছে। ভাটারা, বাড্ডা ও খিলক্ষেত এলাকার অংশ নিয়ে ‘বসুন্ধরা’ নামে আরও একটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। খিলগাঁও এলাকায় নতুন থানার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পূর্বাচল এলাকায় পুলিশিং শুরু হলে সেখানে চারটি থানা ও ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধের হাউজিং এলাকায় আবাসন পেলে দ্রুত আরেকটি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বাড্ডা থেকে বেরাইদ অনেক দূরে হওয়ায় সেখানে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। গেন্ডারিয়া বা ওয়ারী এলাকার ঘুন্টিঘরেও নতুন ফাঁড়ি করা হবে। এছাড়া মঞ্জুরিকৃত যেসব পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে, সেগুলো পুনর্বিন্যাস করে জনবহুল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় নেওয়া হচ্ছে। খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি সেই উদ্যোগেরই অংশ বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫-১৬ বছরে পুলিশের দিকে খুব বেশি নজর দেওয়া হয়নি। সে সময় পুলিশ হয়তো বিশেষ উদ্দেশ্যে কাজ করেছে। এখন পুলিশ জনগণের সেবার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। দলমত নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বর্তমান পুলিশের লক্ষ্য। পাশাপাশি ডিএমপির সদস্যদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে বিভিন্ন এলাকায় নতুন ব্যারাক, পুলিশ লাইন্স ও প্রশিক্ষণ অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর ঘিরে আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেইসঙ্গে তিনশ’ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে ঘিরে জনসংখ্যা ও যান চলাচল বাড়ায় খিলক্ষেত থানার আওতাধীন বরুয়া, ডুমনি, পাতিরা, তলনাসহ আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে। এসব এলাকা থানা থেকে দূরে হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মাদক ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক পুলিশি উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।

পুলিশ প্রধান আরও বলেন, নতুন এ ফাঁড়ির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও কার্যকর পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে এবং প্রো-অ্যাকটিভ পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। তিনি আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: