জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক নদী, খাল সমূহ দখল ও দুষন মুক্ত করতে সংশ্লিস্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি পটুয়াখালীর লাউকাঠী,লোহালীয়া, হেতালীয়া নদী ও সুতারখালী খালসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা পরিদর্শন করে আজ ৭ সেপ্টেম্বর সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের অনুমতি ব্যতিত কোন নদী, খাল ভরাট করা যাবে না, তেমনি দখল ও দূষন করা যাবে না। নদী-খালের প্রবাহ অব্যাহত রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে নদী কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন পটুয়াখালী শহরের নবাবপাড়া খাল, পুরাতন হাসপাতাল সংলগ্ন সুতারখালী খাল, মেডিকেল কলেজের পশ্চিম পাশের খাল ও বিসিক শিল্প নগরী সংলগ্ন খালের পানি প্রবাহ উদ্ধার ও রক্ষা করতে জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রসহ সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগনের প্রতি নির্দেশ দেন নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। অল্প সময়ের মধ্যে পৌর শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ১০ টি খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালের প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।
তিনি গত ৩ সেপ্টেম্বর হতে ৬ সেপ্টম্বর পর্যন্ত চারদিন পটুয়াখালীতে লাউকাঠী নদী, সুতাখালী খাল ও অন্যান্য খালের দখল এবং দূষন সরেজমিন পরিদর্শন ও কাগজপত্রাদি যাচাই-বাছাই করেন।
জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম বিপিএম-পিপিএম, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পরিবেশবীদ মোঃ এনামুল হক, উপ-পরিচালক ড. খ.ম কবিরুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, লাউকাঠী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস, ছোটবিঘাই ইউপি চেয়ারম্যান আলতাফ হাওলাদার, মৌকরন ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সেলিমসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধি ও ব্যক্তিবর্গ।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: