বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

জবি ছাত্রী হল এবং সমাবর্তন দেরি কেন?

জবি ছাত্রী হল এবং সমাবর্তন দেরি কেন?

 

ছাত্রী হল প্রসঙ্গ:
এক হাজার আসনের একটি ছাত্রী হল তৈরি করতে কত বছর লাগে?ছাত্রী হলের কাজ শুরু হওয়ার পর হলের পাশে কত-শত বিল্ডিং তৈরি হয়ে আবার পুরোনো হয়ে গেলো।কিন্তু জবি এর ছাত্রীদের হল আর তৈরি হলো না।এটাতো কারো ব্যক্তিগত অর্থে হচ্ছে না।এটার জন্য তো বাজেট আছে ।তাহলে এত দেরি কেন?”এই বছরের শেষের দিকে শেষ হবে” এই কথা বলে তালবাহানা করে দীর্ঘ ৮ বছর কাটিয়ে দিলো।ছেলেদের হল উদ্ধারের ব্যাপারে সবসময় বলে আসছে কাগজপত্র নেই।তাহলে মেয়েদের হল সম্পূর্ণ করতে কি সমস্যা?একটা বিল্ডিং তৈরি করতে ৮ বছর সময় লাগে?কেন এটা কি তাজমহলের মতো পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের মতো কোনো বিল্ডিং হবে?

সমাবর্তন প্রসঙ্গ:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় নি।যেখানে বিভিন্ন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যন্ত সমাবর্তন হচ্ছে।এটা আমাদের জন্য শুধু কষ্টের নয়,লজ্জারও বটে!! জায়গা সংকটের তালবাহানায় বছরের পর বছর কেটে গেল।গত কয়েকদিন যাবত সমাবর্তন নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছিল।সেখানে জায়গা নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সুন্দর সমাধানের কথা বলেছে।ধোপখোলা মাঠ এর বাউন্ডারি তুলে দরকারে ছাত্রলীগ সিটি কর্পোরেশনের মাঠ এক করে দিবে।আন্দোলন চলাকালীন সময় শিক্ষার্থীদের সাথে প্রশাসনের কথা কাটাকাটির সময় বলতে শোনা গেছে-“তোমরা কি সমাবর্তনের জন্য এসেছো কখনো?না এসে আন্দোলন কেন করছো?” এই কথার উত্তরে বলতে চাই আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সমাবর্তনের জন্য মিনিমাম ৫-৬ বার গিয়েছি।আর যে কথা সবসময় শুনেছি সেটি হলো-“জায়গা নেই,জায়গা সংকট”.আরে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়।জায়গা তো ভাড়াতেও নেওয়া যায়।যাই হোক অবশেষে সমাবর্তনের কমিটি হয়েছে।এখন শীঘ্রই সমাবর্তনের আয়োজন হলেই হলো।আমাদের তো ইচ্ছে হয় রাষ্ট্রপতির মুখোমুখি বসে মজার মজার গল্প শোনার শোনার,ইচ্ছে হয় গাউন পড়া ছবি এলবামে স্মৃতি করে রাখার,ইচ্ছে তো আমাদেরও হয়।

জবি এর শিক্ষার্থীদের মতো এত বঞ্চিত কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নেই।নজীরবিহীনভাবে এদের বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে।অথচ এরাই বিসিএস সহ বিভিন্ন চাকরি পরিক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করছে।
অবহেলায় আর কত দিন??? পুরোনো ইতিহাসে পড়েছি অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীদের অবদান অনেক বেশি।আজ কেন তারা পিছিয়ে পড়ে আছে?নিজেদের অধিকার থেকে কেন নিজেদের বঞ্চিত করে রাখছে দিনের পর দিন!!?নিজেদের অধিকার নিজেদের আদায় করে নিতে হয়,অর্জন করে নিতে হয়।

তানজিনা শিমু
সহ-সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com