বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

রাব্বানীর হাত ধরেই ফিরে পাক বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় ছাত্রলীগ!

রাব্বানীর হাত ধরেই ফিরে পাক বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় ছাত্রলীগ!

শাহআলম বেপারী

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা, বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম। তার পর থেকে আজ অবধি গৌরবময় ঐতিহ্য ধারণ করেই সোনালি আগামীর লক্ষ্যে এই সংগঠনের পথচলা।

ছাত্রলীগ সম্পর্কে গর্ব করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘ছাত্রলীগের ইতিহাস বাঙালির ইতিহাস, ছাত্রলীগের ইতিহাস স্বাধীনতার ইতিহাস।’ বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যের যথার্থতার প্রমাণ মেলে সংগঠনটির স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাসের দিকে চোখ রাখলে। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিটি ন্যায্য আন্দোলন-সংগ্রামের প্রথম সারিতে ছিল ছাত্রলীগ।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা ও ১১ দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ছিয়ানব্বইয়ের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনসহ সব প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। এসব আন্দোলন-সংগ্রামে শহীদ হয়েছেন সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী। আবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অনেকেই সম্পৃক্ত হয়েছেন রাজনীতির আরও বৃহত্তর পরিসরে। দেশ ও জাতির অগ্রগতিতে পালন করে চলেছেন অগ্রণী ভূমিকা। এমন গৌরবময়

ঐতিহ্যের কারণেই একশ্রেণির নেতাকর্মীর সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড পুরো সংগঠনকে কঠোর সমালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘ যাত্রাপথের এই প্রান্তে এসে বর্তমান ছাত্রলীগ কি পথভ্রষ্ট হয়ে গেল। অনেকেই বলছেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগের ইতিহাস বর্তমানে অনেকটাই ম্লান হয়েছে সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে। জাতির আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও গৌরবের প্রকাশ ঘটত যে ছাত্রলীগ নিয়ে, সংগঠনটির সেই মর্যাদা এখনও অটুট আছে কি-না এমন গুরুতর প্রশ্ন করছেন অনেকে। এমনকি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দলের অনেক শীর্ষ নেতাও ছাত্রলীগের ভূমিকা নিয়ে কখনও কখনও উষ্মা প্রকাশ করেছেন। কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন এবং ভাবমূর্তি রক্ষায় নানা দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন।
এরই পরিপ্রক্ষিতে ছাত্রলীগের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনতে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৩১ শে জুলাইয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী দুই বছরের জন্য  নিজে এই কমিটি দিয়েছেন।
এরই মধ‌্যে ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ঘোষণা দিয়েছেন যে, এমন ছাত্রলীগ গঠন করব, প্রতিটি পিতা মাতা আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধার সাথে ও গর্ব করে করে বলবে, আমার ছেলে ছাত্রলীগ করে। আজ যারা বাঁকা চোখে দেখে, আগামীতে তারাই প্রশংসা করবে, মানুষের মন জয় করে ছাত্রলীগ করতে হবে। এরই মধ্যে ছাত্রলীগকে নতুন করে সাজাতে ২০ টি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। তাছাড়া তৃণমূলে রয়েছে তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা,ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার আগেই তিনি খেতাব জুড়িয়ছেন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে।

সবার মুখে এখন একই কথা গোলাম রাব্বানী হাত ধরেই ফিরে আসুক  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ  গৌরবময় ঐতিহ্য।

সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ফারিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি সামাজিক সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক এক স্টাটাসে তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস সে ভাল করবে, ফিরিয়ে আনবে ছাত্রলীগের  গৌরবময় ঐতিহ্য ইতিহাস, আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা।
ইতিমধ্যে ছাত্রলীগ যেখানে পৌছেছে, সেখান থেকে একমাত্র গোলাম রা্বানী দ্বারাই সম্ভব ফিরিয়ে আনা তার আগের ভূবনে।
এ রকম আলোচনা এখন সারা বাংলায়। সবার মুখে মুখে একই কথা গোলাম রাব্বানী একজন ডাইনামিক ছেলে, ফিরিয়ে আনতে পারবে তার সংগঠনের ইতিহাস ঐতিহ্য।
ইতিমধ্যে তার পিতা আব্দুল রশিদ সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক এক স্টাটাসে ছেলের প্রতি আর্শিবাদ করে তিনি বলেন, রাব্বানী তোমার হাত ধরেই ছাত্রলীগ ফিরে পাবে ইতিহাস ঐতিহ্য। তুমি গড়ে তুলবে সমৃদ্ধ বাংলাদশ।
আমার দেখায় ছেলেটা নম্র, ভদ্র ছেলে নবনির্বাচিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত গোলাম রাব্বানীকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে এক স্টাটাসে এই মন্তব্য করেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তনয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেন, আমার দেখায় ছেলেটা নম্র ,ভদ্র ছেলে। আশাকরি ওদের মতো ছেলেদের দ্বারাই ছাত্রলীগের পরিবেশ খুব সুন্দর একটি পরিবারের মতো হবে।
উল্লেখ্য,গত ৩১ শে জুলাইয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী দুই বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । একই সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটিও ঘোষণা করা হয় ।

লেখক,সাংবাদিক : শাহআলম বেপারী
সম্পাদক: সময় ট্রিবিউন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com