মঙ্গলবার, ২১ অগাস্ট ২০১৮, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

‘আমাদের বিষয়ে গণমাধ্যমে নেগেটিভ খবরই বেশি’

‘আমাদের বিষয়ে গণমাধ্যমে নেগেটিভ খবরই বেশি’

নিজস্ব প্রতিবেদক,

আমাদের বিষয়ে গণমাধ্যমে পজেটিভ খবরের চেয়ে নেগেটিভ খবরই বেশি হয়। আমরা সরকারে আছি তারপরও আমাদের বিরুদ্ধেই বেশি খবর হচ্ছে। কথা বলার স্বাধীনতা নেই একথা যারা বলছেন তারা কী সত্য না মিথ্যা বলছেন? বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ও কিছু ব্যক্তি, যারা দল করে না তারাও একটি কথা বলে যাচ্ছেন যে, দেশে কথা বলার স্বাধীনতা নাই। কিন্তু কথা বলার স্বাধীনতা যদি নাই থাকে তাহলে তারা কথাগুলো বললেন কিভাবে?

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের বিএফইউজে’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু বানাচ্ছি। মানুষ মনে করত বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ, তারা হাত পেতে চলবে। কিন্তু আমরা কেন হাত পেতে চলব? এখন আমাদের সম্পর্কে বিদেশিদের ধারণা বদলেছে।

তিনি বলেন, আমরা সমুদ্র বিজয় করেছি, আকাশ বিজয় করেছি। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে আমরা বিশ্বে মর্যাদার আসনে উন্নীত হয়েছি। আমাদের উন্নয়নের পরিকল্পনা একেবারে তৃণমূল থেকে, যাতে সব পর্যায়ে উন্নয়ন ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য যে কাজ হচ্ছে, তা যেন তুলে ধরা হয়। কারণ আমরা পরমুখাপেক্ষী হতে চাই না।

আইসিটি অ্যাক্ট নিয়ে সাংবাদিকদের ভয়ের কিছু নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই আইন নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেন। এটি নিয়ে শঙ্কার কিছু নাই। গণমাধ্যম, গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা দিতেই এই আইন।

পত্রিকার নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন, দুটি পত্রিকা আমি পড়িও না, রাখিও না। আমার গণভবনে ঢুকতেও দিই না। দরকার নেই আমার। কাজের মধ্য দিয়েই জনগণই জেনে নেবে। কাজের মাধ্যমেই আমি থাকব। আওয়ামী লীগ থাকলে কী হয় আর না থাকলে কী হয়, তা দেশের মানুষ বোঝে।’ তাকে সব সময় সমালোচনার মধ্যে থাকতে হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সে অনুযায়ী বিএনপির নির্যাতনের কথা গণমাধ্যমে উঠে আসেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কত পত্রিকা আমাদের বিরুদ্ধে লিখেছিল, কিন্তু কী দুর্নীতি প্রমাণ করতে পেরেছে? যারা এসব কথা লিখেছে, তাদের কী করা উচিত? এটাই কি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? আমি বলেছিলাম, কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, তা প্রমাণ করতে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রমাণ করতে পারেনি। কানাডার ফেডারেল কোর্ট বলেছে, এসব বানোয়াট।’

বিএফইউজে’র সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ের সভাপতি আবু জাফর সূর্যসহ সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

/এসএম



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com