বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগের কমিটি বিলম্ব হওয়ায় হতাশ নেতাকর্মীরা

ছাত্রলীগের কমিটি বিলম্ব হওয়ায় হতাশ নেতাকর্মীরা

শাহ আলম বেপারী,

গত ১১ ও ১২ মে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত নতুন কমিটি হয়নি।এর মধ্যে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের নামে নানা অপপ্রচার।যে কারনে বিভিন্ন উপজেলা,জেলা,বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীদের চেহারায় হতাশার ছাপ চোখে পড়ছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বৃহত্তর ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলের ভূমিকা এ সংগঠনে সবচেয়ে বেশি।প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই দুই এলাকার নেতাকর্মীর সংগঠনটিতে যোগ্যতা ও ত্যাগের পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হলেও বর্তমান সময়ে প্রাপ্তিতে তারা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।

সম্মেলনের পরে চার দিন অতিবাহিত হলেও নতুন কমিটি কবে হবে কেউ জানেনা।পিছনের দিকে তাকালে দেখা যায় প্রতিবার সম্মেলনের দ্বিতীয়দিন নতুন কমিটি ঘোষিত হয়।যদিও অভিযোগ রয়েছে একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেট দ্বারা এই সংগঠনটির কমিটি গঠনসহ সকল কিছু নির্ধারিত হয়।এসব অভিযোগ থেকে বেরিয়ে নতুন করে সাজাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ছাত্রলীগের কমিটিতে হাত দেন এবং প্রার্থী হতেপারে এমন সকলের বিষয়ে তিনি গোয়েন্দাদের মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করেন।তারপরেও থেমে নেই সিন্ডিকেট।পূর্বের সিন্ডিকেটের সাথে পাল্লা দিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সিন্ডিকেট।একে অন্যের সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করছে।তবে মজার বিষয় উভয় সন্ডিকেটের একটি বড় অংশ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের হলেও কেউই চায়না ফরিদপুর ও বরিশাল কেন্দ্রে আসুক।

সম্মেলন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ঘুরেফিরে চিটাগং ও উত্তরবঙ্গের নাম শোনা যাচ্ছে কেন্দ্রে।এক্ষেত্রে নতুন সিন্ডিকেট এগিয়ে।প্রার্থীদের নামে নানা অভিযোগ থাকায় প্রার্থী পরিবর্তন এলেও এলাকা একই থেকে যাচ্ছে।বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে বরিশাল অঞ্চল থেকে সভাপতি বা সাধারন সম্পাদক পায়নি।আগামী নির্বাচনে সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে ফরিদপুর বরিশাল থেকে কেন্দ্রে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক করার বিকল্প নেই।তারা আরো বলেন অঞ্চল নয় যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে কমিটি করা হলে অবশ্যই এই দুই অঞ্চল সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

আলোচনায় যারা:
ফরিদপুর অঞ্চল থেকে শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক গোলাম রাব্বানী,কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসাইন,সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহসভাপতি বিদ্যুৎ শাহারিয়ার কবির ও স্যার এফ রহমান হলের সভাপতি হাফিজুর রহমান।

বরিশাল অঞ্চল থেকে কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়,,কৃষি শিক্ষা সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার,উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান,সহসম্পাদক আরিফুল ইসলাম সোহাগ,সহসম্পাদক খাদিমুল বাসার জয়।

উত্তরবঙ্গ থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান,সদস্য রেজোয়ানুল করিম চৌধুরী শোভন,উপ-আইন সম্পাদক হোসেন সাদ্দাম,সহসম্পাদক রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য,মুহসীন হলের সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান সানী।

চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে আদিত্য নন্দী ,সহসভাপতি হাবিবুর রহমান সুমন,প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মাজাহার শামীম,উপ আন্তর্যাতিক সম্পাদক এইচ এম তাজউদ্দীন, উপ স্কুলছাত্র সম্পাদক সৈয়দ আরাফাত, উপ স্কুলছাত্র সম্পাদক খাজা খায়ের সুজন।

এছাড়া নারী নেতৃত্ব হিসেবে সহসভাপতি চৈতালী হালদার চৈতি,সহ সভাপতি নীশিতা ইকবাল নদী,উপ আর্থ সম্পাদক তিলোত্তমা শিকদার।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com