শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কোটা সংস্কারপন্থীদের ।সময় ট্রিবিউন

অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কোটা সংস্কারপন্থীদের ।সময় ট্রিবিউন

এবার অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন কোটা সংস্কার পন্থীরা আহ্বায়ক ঢাবির মাস্টার্সের শিক্ষার্থী হাসান আল মামুন বলেন , হতাশ হবেন না। আমাদের দাবী সার্বিক কোটার সংস্কার। আশা করি দেশরত্ন আমাদের দাবী মেনে নিবেন। আমরা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাব।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাশেদ খান  বলেন, সরকারি চাকরির নিয়োগে ৫৬% কোটাকে ১০% এ নামিয়ে আনার দাবিতে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন চলবে।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন পূর্বের গতিতেই চলবে। যে যে কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে তাও যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

রাশেদ খান 

তিনি বলেন, প্রশাসনের ৮০% কোটাধারী, তারা আমাদের নেত্রীকে ভুল বুঝিয়েছেন। আশা করি অতিশিগগিরই তিনি আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে মমতাময়ী মা ডেকে বলেন, ‘আমরাও চাই কোটা প্রথা থাকুক,বাতিল আমরাও চাইনি। আমরা শুধুমাত্র একটা যৌক্তিক সংস্কার চাই। কেউ হতাশ হবেন না, আন্দোলনে থাকুন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির রাসেল রানা বলেন, আপনারা একটা কথা সবাই জানেন কোটাধারীদের কথাগুলা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলা অনেক সহজ! কারন একটাই কোটার মাধ্যমে কোটাধারীরা বড় বড় আসনে বসে আছে। যেদেশে ১০% মানুষের জন্য ৫৬% কোটা সে দেশ কেমনে চলবে এটা মেধাবীদেরকেই ভাবতে হবে। আমাদেরকেও মাথা ঠান্ডা রেখে আন্দলোন চালিয়ে যেতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মেসেজটা দিতে হবে লক্ষ লক্ষ মেধাবী যুবকদের মূল্যায়ন করার কথাগুলা। সেটা একমাত্র আন্দলোনের মাধ্যমেই সম্ভব। হতাশ হবেন না। আমরা যদি হতাশ হয়ে বসে থাকি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও হতাশায় কাটাবে। আসুন একসাথে আন্দলোন চালিয়ে যাই। কোটা সংস্কার করেই ছাড়ব ইনশাল্লাহ।

কোটা সংস্কার আন্দোলন 

এদিকে, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য যে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, তা বহাল থাকবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার চট্টগ্রামের পটিয়ায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ হাসিনা এ কথা জানিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, এই কথাটা ভুললে চলবে না। কাজেই তাদেরকে আমাদের সম্মান দিতেই হবে। তাদের ছেলে, মেয়ে নাতি পুতি পর্যন্ত যাতে চাকরি পায়, সেটার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

কোটায় যদি না পাওয়া যায়, তাহলে শূন্য পদে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দিতে কোটার বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর বাইরে কিছু করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা রয়েছে। এর বাইরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোর জন্য ১০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com