শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

৬৩ জনকে আটকের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক সারাদেশ অচল করে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

৬৩ জনকে আটকের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক সারাদেশ অচল করে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি ও আটকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে সারা অচল করে দিয়েছিল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়,আন্দোলনকারী ৬৩ জনকে আটকের প্রতিবাদে সারা দেশে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখায় আন্দোলত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঢাবি বন্ধ করে দেয় শাহবাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে। রাবি বন্ধ করে দেয় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। হালিশাহর শহরে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেয়। এছাড়া বিভিন্ন কলেজে বিক্ষোভ হয়েছে রাতে। আর সারাদেশের ছাত্রজনতার চাপে রাত ৯টা৪০মিনিটে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন থেকে আটক হওয়া ৬৩ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয় রমনা থানা। ১৮ মার্চ সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা
উল্লেখ্য,সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এসময় লাঠিপেটাও করে পুলিশ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।আটক শতাধিক

যে সংগঠনটি কোটা সংস্কারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে সেই “বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ” এর সমন্বয়ক রাশেদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তাদের পাঁচ জনকে আটক করে নিয়ে গেছেন। তবে পুলিশের তরফ থেকে আটকের কথা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে আজ সকালে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী সমবেত হন। মিছিল নিয়ে তারা সচিবালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে হাইকোর্টের সামনে তারা পুলিশের বাধার মুখে পড়েন।

পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে তারা বসে পড়ার এক পর্যায়ে পুলিশ তারদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও লাঠিপেটা শুরু করে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি: পলাশ খান
শিক্ষার্থীদের আটক সম্পর্কে রমনা থানার ওসি কাজি মইনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।

সরকারি চাকরিতে মেধার তুলনায় কোটাকে প্রাধান্য দেওয়ার বিরোধিতা করে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছুদিন থেকে আন্দোলন করছেন। এর আগে দেশজুড়ে তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। এই ব্যবস্থাকে বৈষম্যমূলক অভিহিত করে কোটা কমানোর দাবি জানাচ্ছেন তারা।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, কোটা সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনতে হবে। যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে কোটার খালি থাকা পদগুলোতে মেধাবীদের নিয়োগ দিতে হবে। কোটা সুবিধা নিয়ে চাকরি পরিবর্তন বন্ধ করতে হবে। একবার কোটা সুবিধা নিয়ে পুনরায় অন্য চাকরিতে যেতে চাইলে মেধার ভিত্তিতে যেতে হবে। শুধু কোটায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে না।



One response to “৬৩ জনকে আটকের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক সারাদেশ অচল করে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা”

  1. sazzad hossain says:

    দেশে কোটা প্রাদ্ধতি সংষ্কার না হলে অযোগ্য বেক্তিদের কাছে দেশের বড় বড় দায়িত্ব চলে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com