বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগের সম্মেলন সমর্থনকারীদের পিটিয়ে আহত করল বিরোধীরা

ছাত্রলীগের সম্মেলন সমর্থনকারীদের পিটিয়ে আহত করল বিরোধীরা

৩১মার্চ সম্মেলনকে সমর্থনকরে বিভিন্ন সময় সমাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে স্টাটাস দেওয়া কর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়,চলতি মাসের ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সম্মেলন হচ্ছেনা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন এই তথ্য সাংবাদিকদের যখন নিশ্চিত করেন যে। সম্মেলন যথা সময়ে হবে। তবে মার্চে সম্মেলন হচ্ছে না। এর পরেই শীর্ষ নেতাদের থেকে নির্দেশ আসে সম্মেলন সমর্থনকারীদেরকে যেখান পাবি সেখানে সাইজ করে  দিবি। এই শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে আজ ছাত্রলীগের সম্মেলন সমর্থনকারীদের ওপর হামলা চালায় সম্মেলন বিরোধী ছাত্রলীগ নামধারী ক্যাডারা।
এতে গুরুতর আহত হয় মাস্টারদা সূর্যসেন হলের সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মো: মেসকাত হোসেন ও ছাত্রলীগ কর্মী সাগরসহ আরো তিন চারজন।
মেশকাত সমাজিক যোগাযোগ এক ভিডিও বার্তা বলেন, সম্মেলনকে স্বাগত জানিয়ে,নেত্রীর ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন সময় ফেসবুকে প্রচারণ চালাই এটাই আমার কাল হয়ে দাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় দুই শীর্ষ নেতার নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, গতকাল আমাকে সতর্ক করে একজন বলেছিলেন সোহাগ ও জাকির ভাইয়ের টার্গেটে তুই আছোছ। সাবধান হয়ে থাকার অনুরোধ করেছিল। আমি খাবার খেতে বের হলেই এ হামলা আমার চালায়। তিনি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার পাওয়ার আকুতি জানান।

উল্লেখ্য,১২ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে সম্মেলনের তারিখ ঠিক করা হয় বলে জানা যায়।

এর আগে ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে মার্চ মাসেই সম্মেলন করা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা বলে জানিয়েছিলেন। আর নেত্রীর একান্ত ইচ্ছায় ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে এরকম লিখে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় ট্রাটাস দেন মেসকাত ও সাগর অন্যন্যা নেতাকর্মীরা।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা ।সম্মেলন তারিখ পেছানোর জন্য উঠেপড়ে লাগেন শীর্ষ নেতারা । পরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা করতে যায় ছাত্রলীগের মেয়াদোর্ত্তীণ কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

তারা দুজনই অনুরোধ করে করে ছাত্রলীগের নেত্রী শেখ হাসিনাকে বলেন, এ মুহুর্তে সম্মেলন করার মতো যথেষ্ট প্রস্তুতি নেই তাদের। প্রতি উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছেন, ঠিক আছে। সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২১ দিন সময় বাড়িয়ে নিতে পারো। তারপরও সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কারণ এর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় ফেল করলে আগের তারিখেই (৩১ মার্চ) কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয়ে যাবে।

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে দুপুরে গণভবন থেকে না খেয়েই সোহাগ ও জাকির দ্রুত ছুটে যান সাধারণ সম্পাদকের কাছে।

তখন ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সম্মেলন হবে। তবে নেত্রী যদি কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন তবেই পরিবর্তন হতে পারে। যেহেতু তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে (ওবায়দুল কাদের) কিছু জানাননি, তাই ৩১ মার্চকেই সম্মেলনের তারিখ হিসাবে ধরে নিয়েছি।

এখান থেকে মধুতে ফিরে এসেই এই দুই নেতা সকল হলের নেতা কর্মীদের ডেকে জানান ৩১ মার্চ কাউন্সিল হচ্ছে না । এর পরেই টার্গেট করে ফেলে, যারা এতদিন সমাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে বিভিন্ন সম্মেলনকে সমর্থন করে বিভিন্ন সময় প্রচারণা চালিয়েছেন। এই সূত্র ধরে মেশকাত ,সাগরের উপর অতর্কিত হামলা করে ছাত্রলীগ নামধারী ক্যাডারা।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক  এস এম জাকির হোসাইনকে ফোন করলে  তিনি ফোন রিসিভ করে নাই।https://www.facebook.com/rabbanibsl/videos/10216228877262592/



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

China Scholarship bd

Somoy-Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis. © All rights reserved  2018 somoytribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com